অনেক দূরের থেকে আসা শব্দ এলো।
বলা কওয়ার ধার ধারেনি কোনোদিনই।
তাও সে অবুঝ শব্দগুলো ধুলো পায়েই
আমার তোমার বসার ঘরে আয়েস করে বসলো যখন,
সোফার ওপর পা তুলেছে।
অপ্রস্তুত হলেও তুমি চায়ের জন্য খবর পাঠাও ভিতরঘরে।
আস্তে আস্তে গল্পগাছা খুলে বসে শব্দগুলো।
পুঁটলি গুলো ঠিক তখনি ঠাহর করি
কোনটায় সে হলদে মুড়ি কুসুম ফুলের বীজ মেশানো,
কোনটাতে সে নাড়ু মোয়া আচার বিচার সে পর্যন্ত দেখতে দেখতে -
চা এলে বেশ চমকে উঠি - বেয়াক্কেলে শব্দগুলো
ধুলোয় আমায় বসিয়ে রেখে ফিরেই গেছে -
লাস্ট ট্রেন তার ফেল হবে না,
হলেই বা কি আসবে সে ফের নাড়তে কড়া নিশুত রাতে।
আসবে সে কি ? আসবে কি সে?
কোত্থেকে সে এসেছিলো-
সেই ঠিকানা হয়তো আমার মনেই আছে।
আমার যেসব আনাচকানাচ ছড়িয়ে রাখা গেরস্থালির
মধ্যে থেকে বেশ কয়েকটা হলদে রঙের পোস্টকার্ডে তা কয়েকখানা আস্ত আছে।
এদের মধ্যে বেশ ক'জনার জামাটামা হয়তো আজও
টানাহ্যঁচড়ায় আসতে পারে আড্ডা দিতে।
প্রথম প্রথম জড়সড়, তারপরে সে কখন জানি গ্রাস করে নেয় আমায় তোমায়,
সোফার ওপর পা তুলে বেশ মুড়ি লঙ্কা চিবোই যখন শব্দ করে -
শব্দগুলো হাসতে থাকে, নাচতে থাকে।
অনেকদিনের পরে যেন সত্যিকারের বৃষ্টি পড়ে।
চিঠি যেমন, কিম্বা হয়তো অন্য কিছু, কথার মতো।
কথাও যারা শব্দ দিয়ে তৈরি নয়তো অন্য কথা।
যে বেচরা উচ্চারিত হওয়ার আগেই দিশেহারা।
ভাবছে কখন বলেই বসি সেই কথাটা,
সেসব আমি শুনেই ফেলি হিড়িক খেয়ে।
যেমনটা সে আসতে থাকে ঠিক তেমনই পরম্পরায় বলতে থাকি,
যা বলে সে এমনি করেই আমি তখন অন্য আমির কাছে থেকে
অন্য হয়ে দেখি আমায় অন্য জামায়।
ভুলতে থাকা অস্তিত্ব সেই দুরন্ত স্রোতখানি ওর
ফেরৎ পাঠাই কোনমুখে তার হিসেব না পাই।
কথা : সুমন মান্না
বলা কওয়ার ধার ধারেনি কোনোদিনই।
তাও সে অবুঝ শব্দগুলো ধুলো পায়েই
আমার তোমার বসার ঘরে আয়েস করে বসলো যখন,
সোফার ওপর পা তুলেছে।
অপ্রস্তুত হলেও তুমি চায়ের জন্য খবর পাঠাও ভিতরঘরে।
আস্তে আস্তে গল্পগাছা খুলে বসে শব্দগুলো।
পুঁটলি গুলো ঠিক তখনি ঠাহর করি
কোনটায় সে হলদে মুড়ি কুসুম ফুলের বীজ মেশানো,
কোনটাতে সে নাড়ু মোয়া আচার বিচার সে পর্যন্ত দেখতে দেখতে -
চা এলে বেশ চমকে উঠি - বেয়াক্কেলে শব্দগুলো
ধুলোয় আমায় বসিয়ে রেখে ফিরেই গেছে -
লাস্ট ট্রেন তার ফেল হবে না,
হলেই বা কি আসবে সে ফের নাড়তে কড়া নিশুত রাতে।
আসবে সে কি ? আসবে কি সে?
কোত্থেকে সে এসেছিলো-
সেই ঠিকানা হয়তো আমার মনেই আছে।
আমার যেসব আনাচকানাচ ছড়িয়ে রাখা গেরস্থালির
মধ্যে থেকে বেশ কয়েকটা হলদে রঙের পোস্টকার্ডে তা কয়েকখানা আস্ত আছে।
এদের মধ্যে বেশ ক'জনার জামাটামা হয়তো আজও
টানাহ্যঁচড়ায় আসতে পারে আড্ডা দিতে।
প্রথম প্রথম জড়সড়, তারপরে সে কখন জানি গ্রাস করে নেয় আমায় তোমায়,
সোফার ওপর পা তুলে বেশ মুড়ি লঙ্কা চিবোই যখন শব্দ করে -
শব্দগুলো হাসতে থাকে, নাচতে থাকে।
অনেকদিনের পরে যেন সত্যিকারের বৃষ্টি পড়ে।
চিঠি যেমন, কিম্বা হয়তো অন্য কিছু, কথার মতো।
কথাও যারা শব্দ দিয়ে তৈরি নয়তো অন্য কথা।
যে বেচরা উচ্চারিত হওয়ার আগেই দিশেহারা।
ভাবছে কখন বলেই বসি সেই কথাটা,
সেসব আমি শুনেই ফেলি হিড়িক খেয়ে।
যেমনটা সে আসতে থাকে ঠিক তেমনই পরম্পরায় বলতে থাকি,
যা বলে সে এমনি করেই আমি তখন অন্য আমির কাছে থেকে
অন্য হয়ে দেখি আমায় অন্য জামায়।
ভুলতে থাকা অস্তিত্ব সেই দুরন্ত স্রোতখানি ওর
ফেরৎ পাঠাই কোনমুখে তার হিসেব না পাই।
কথা : সুমন মান্না

No comments:
Post a Comment