অাজ শুক্রবার। এখন রাত ১১টা বাজে। হিমু এখন মাজেদা খালার বাসার ছাদে। এই জায়গাটা হিমুর অনেক পছন্দের। এখন প্রতি সপ্তাহে একবার মাজেদা খালার বাসায় আসতে হয়। মাজেদা খালার কড়া নির্দেশ। সপ্তাহে ছয় দিন ভবঘুরের মত যা ইচ্ছে করে বেড়ালেও শুক্রবার মাজেদা খালার কথামতোই চলতে হয়। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে যে মাজেদা খালা আবার হিমুর বিয়ের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। এইসব উদ্ভট পরিস্থিতি হিমু আগেও সামলেছে।
কিন্তু এইবার মাজেদা খালা একেবারে কোমড় বেধে নেমেছে। আজ মাজেদা খালা নিজের হাতে হিমুকে খাইয়ে দিয়েছে। ব্যাপারটা একটু চিন্তার বিষয়। গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। তাই নিরিবিলি ছাদে এসে বসে বসে ভাবছে হিমু।
কিন্তু এইবার মাজেদা খালা একেবারে কোমড় বেধে নেমেছে। আজ মাজেদা খালা নিজের হাতে হিমুকে খাইয়ে দিয়েছে। ব্যাপারটা একটু চিন্তার বিষয়। গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। তাই নিরিবিলি ছাদে এসে বসে বসে ভাবছে হিমু।
-ভাইয়া একা একা বসে আছেন যে?
হঠাৎ পেছন থেকে বলে উঠলো কেউ। হিমু পেছন ফিরে তাকালো। শঙ্খনীল। এ বাড়ির ভাড়াটিয়া। ছেলেটা ভালো। অনেকটা ভবঘুরে টাইপের। হিমু হতে চায়।
-বসতে পারি?
-হুমম। বসো।
-এতো গভীরভাবে কি ভাবছেন?
-ভাবছি কিছু, কিন্তু গভীরভাবে না।
-আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম।
-হুম। কেমন আছো তুমি?
-জি ভাইয়া, ভালো। কিন্তু আপনি মনে হয় ভালো নেই।
-হম। কিভাবে বুঝলে?
-বুঝেছি। একটা গোপন সংবাদ আছে। সেটা শোনার পরেই কিছুটা আন্দাজ করেছি।
-কি?
-মাজেদা খালা নাকি আপনার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখছে?
এতো গোপন একটা সংবাদ অথচ সবাই জানে? হিমু কিছুটা অবাক হলো। এটা নিশ্চয়ই মাজেদা খালার কাজ। এই মানুষটা সত্যিই অদ্ভূত।
-ভাইয়া এইবার আপনার জন্য এতো সুন্দরী মেয়ে দেখা হচ্ছে যে আপনি চাইলেও আর বিয়েতে না করতে পারবেন না।
-এইটাও কি গোপন সংবাদ?
-জ্বি।
-মানুষ চাইলে সবই পারে। তাহলে আমি কেন না করতে পারবনা?
-অতি সুন্দরী যে !! দেখলেই আপনি লাড্ডু হয়ে যাবেন।
-লাড্ডু হয়ে যাব?
-জ্বি ভাইয়া। মাজেদা খালা তো সেইরকমই কিছ বললো।
-ও আচ্ছা।
-আমাকে বলেছে যেন সবসময় সেভ করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকি। আমার জন্যও নাকি ভালো মেয়ে খুজে দিবে। মুখে দাড়ি থাকলে নাকি ভালো মেয়েরা পছন্দ করেনা।
-ভালো মেয়ে কিভাবে খুজে?
-জানিনা ভাইয়া। খালা বললো তাই অামিও মাথা নেড়ে গেলাম। উল্টো প্রশ্ন করলে ভাবতে পারে আমি বিয়ে পাগল।
-হুম। ভালো করেছ।
-ভাইয়া আমি আজ একটা হলুদ পাঞ্জাবি কিনেছি। ভেবেছিলাম যেদিন আপনার সাথে দেখা হবে সেদিন পাঞ্জাবিটা পড়বো। তারপর সারারাত আপনার সাথে খালি পায়ে ঘুরে বেড়াব। আজ মনটা ভালো নেই।
-কেন?
-জানিনা। আমি কি পাঞ্জাবিটা পড়ে আসবো?
-আচ্ছা যাও।
হঠাৎ পেছন থেকে বলে উঠলো কেউ। হিমু পেছন ফিরে তাকালো। শঙ্খনীল। এ বাড়ির ভাড়াটিয়া। ছেলেটা ভালো। অনেকটা ভবঘুরে টাইপের। হিমু হতে চায়।
-বসতে পারি?
-হুমম। বসো।
-এতো গভীরভাবে কি ভাবছেন?
-ভাবছি কিছু, কিন্তু গভীরভাবে না।
-আপনাকে অনেকদিন পর দেখলাম।
-হুম। কেমন আছো তুমি?
-জি ভাইয়া, ভালো। কিন্তু আপনি মনে হয় ভালো নেই।
-হম। কিভাবে বুঝলে?
-বুঝেছি। একটা গোপন সংবাদ আছে। সেটা শোনার পরেই কিছুটা আন্দাজ করেছি।
-কি?
-মাজেদা খালা নাকি আপনার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখছে?
এতো গোপন একটা সংবাদ অথচ সবাই জানে? হিমু কিছুটা অবাক হলো। এটা নিশ্চয়ই মাজেদা খালার কাজ। এই মানুষটা সত্যিই অদ্ভূত।
-ভাইয়া এইবার আপনার জন্য এতো সুন্দরী মেয়ে দেখা হচ্ছে যে আপনি চাইলেও আর বিয়েতে না করতে পারবেন না।
-এইটাও কি গোপন সংবাদ?
-জ্বি।
-মানুষ চাইলে সবই পারে। তাহলে আমি কেন না করতে পারবনা?
-অতি সুন্দরী যে !! দেখলেই আপনি লাড্ডু হয়ে যাবেন।
-লাড্ডু হয়ে যাব?
-জ্বি ভাইয়া। মাজেদা খালা তো সেইরকমই কিছ বললো।
-ও আচ্ছা।
-আমাকে বলেছে যেন সবসময় সেভ করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকি। আমার জন্যও নাকি ভালো মেয়ে খুজে দিবে। মুখে দাড়ি থাকলে নাকি ভালো মেয়েরা পছন্দ করেনা।
-ভালো মেয়ে কিভাবে খুজে?
-জানিনা ভাইয়া। খালা বললো তাই অামিও মাথা নেড়ে গেলাম। উল্টো প্রশ্ন করলে ভাবতে পারে আমি বিয়ে পাগল।
-হুম। ভালো করেছ।
-ভাইয়া আমি আজ একটা হলুদ পাঞ্জাবি কিনেছি। ভেবেছিলাম যেদিন আপনার সাথে দেখা হবে সেদিন পাঞ্জাবিটা পড়বো। তারপর সারারাত আপনার সাথে খালি পায়ে ঘুরে বেড়াব। আজ মনটা ভালো নেই।
-কেন?
-জানিনা। আমি কি পাঞ্জাবিটা পড়ে আসবো?
-আচ্ছা যাও।
শঙ্খনীল অনেকটা দৌড়ে নিচে নেমে গেল। কিছুক্ষন তার প্রস্থানের দিকে তাকিয়ে থেকে হিমু আবার চিন্তায় ডুব দিল। মাজেদা খালার গোপন খবর আর কার কার কাছে পৌছেছে কে জানে! ছাদের বেঞ্চিটায় শুয়ে শুয়ে আকাশ দেখছে হিমু। আজ আকাশেও তারা নেই। মেঘলা আকাশ। আকাশটা কেমন জানি গুমড়ো ভাব করে আছে। অনেকদিন ছাদে শুয়ে জোছনা দেখা হয়না। এখন শুধু ভাবনার আকাশে মেঘলা আকাশ আর জোছনা আকাশের পার্থক্য খুজছে হিমু….
ღ শঙ্খনীল ღ

No comments:
Post a Comment